GSTIN: 19BXJPA1923K2ZF · Factory-direct wholesale bags Call +91 85358 68730 · info@runbag.in

Adhikary Enterprise · Habra, West Bengal

Testing sample

4.4 ★ Assured Quality
MOQLow
QualityPremium
DeliveryPan-India

Product Description

আপেল এর তথ্য : আপেলের মজাদার ও অবাক করা কিছু তথ্য



ভূমিকা :

আপেল একটি বহু পরিচিত এবং বহুল প্রচলিত একটি ফল।
অনেকে বলেন প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে শরীরে অর্ধেকের বেশি রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বা ডাক্তারকে দূরে রাখে।

কিন্তু যারা নিজেই ডাক্তার এবং আপেল খেতে ভালোবাসেন তাদের কি হয় তা জানা নেই !

আপেল এতই পরিচিত ফল যে এর বিষয়ে বিশেষ পরিচয় দেয়ার তেমন কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। কিন্তু তবুও কিছু অবিশ্বাস্য এবং মজাদার তথ্য আপেলের বিষয় রয়েছে যেগুলো আপনার অবশ্যই জানা উচিত, চলুন তবে শুরু করা যাক।

আপেলের পরিচিতি  ( আপেল বৈশিষ্ট্য ) :

1. আপেল রোসাসি (Rosaceae) পরিবারের ম্যালিয়াস ডমেস্টিকা (Malus domestica) প্রজাতিভুক্ত একটি ফল।

2. আপেল মিষ্টি স্বাদ ও মৃদু সুভাষের জন্য জনপ্রিয়। সারা বিশ্বব্যাপী আপেলের চাষ হয়ে থাকে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাষকৃত প্রজাতি হচ্ছে জেনাস ম্যলুস (genus Malus)

3. আপেল কোনো সাধারণ ফল নয়, আপেলের অনেক উপকারিতা যেমন আছে তেমনই অনেক সংস্কৃতিতে আপেলের ধর্মীয় এবং পৌরাণিক তাৎপর্যও আছে, যেমন, এদের মধ্যে নর্স, গ্রীক এবং ইউরোপীয়ান খ্রিস্টীয় ঐতিহ্য অন্যতম।
 
4. আপেলের প্রায় ৭,৫০০ টির বেশি পরিচিত প্রজাতি আছে যা বিশ্বব্যাপী প্রচুর চাষ করা হয়। বেশিরভাগ সময়ই মূলের কলমের মাধ্যমে তৈরি করা হয় আপেলের চারাগাছ।

আপেল গাছের তথ্য ও পরিচিতি :

1. আপেল গাছ সাধারণত ২-৪. থেকে ৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়, বন্যে আপেল প্রজাতি অবশ্য ৯ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। 

2. চাষের সময় আকার-আকৃতি এবং শাখা প্রশাখার ঘনত্ব ঠিক রাখার জন্য ছাঁটাই পদ্ধতির মাধ্যমে প্রধান শাখা নির্বাচন করা হয়। 

3. আপেল গাছের পাতা সাধারণত সবুজ রঙের ও আকারে কিছুটা ডিম্বাশয় যুক্ত বাঁকা ও ছোটো হয়ে থাকে।

4. আপেল সাধারণত হেমন্ত কালে পাকে এবং ৫-৮ সেমি মতো ব্যাস হয়। পুষ্পকলি বসন্তকালে পাতার অঙ্কুরোদগম সহ একসাথে উৎপন্ন হয়।

5. আপেল ফুল আকারে ৩ থেকে ৪ সে.মি. মতো হয়ে থাকে,  আপেল ফুল প্রথমে মনোমুগ্ধকর গোলাপি রঙের ও ধিরে ধিরে সাদা হয় ও শেষে বিবর্ণ হয়ে যায়। আপেল ফুলের পাঁচটি পাপরি থাকে। থোকা আকারে ৪-৫ টি ফুল একসাথে থাকে।

6. আপেল বাজারে সারাবছর পাওয়া গেলেও, আপেল সাধারণত গ্রীষ্মের শেষের দিকে এবং শরতকালের আগে মানে বর্ষার সময় পাকে।

আপেল এর  ঐতিহাসিক তথ্য :

1. ইতিহাসবিদেরা মনে করেন, যে সমস্ত উদ্ভিদ সর্বপ্রথম চাষের আওতায় আসে আপেল তাদের মধ্যে অন্যতম। এবং হাজার বছর ধরে নির্বাচনের মাধ্যমে আপেলের মান আরো উন্নত হয়ে আসছে। 

2. আলেকজাণ্ডার দি গ্রেট সর্বপ্রথম ৩২৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে কাজাখাস্তানে আপেলের বন্য প্রজাতি খুঁজে পান, তারপর তিনি সেই গাছ তার সঙ্গে করে মেসিডোনিয়াতে নিয়ে যান।

3. হাজার বছর ধরে এশিয়া এবং ইউরোপ জুড়ে আপেলকে গুরূত্বপূর্ন খাদ্য উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয় । চীনে ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্য আপেল চাষ করা হচ্ছিল। 

আপেল এর পৌরাণিক কাহিনী ও তথ্য

আপেল এর প্রজাতি :

1. বর্তমানে পৃথিবীতে ৭,৫০০ টিরও বেশি আপেলের চাষ যোগ্য প্রজাতি রয়েছে। একই মূল থেকে জন্মানোর পরেও কৃষকরা তাদের আকার এবং ফলন নির্বাচন করেন।

2. আপেল প্রধানত নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে ভালো হয়, কিন্তু বিভিন্ন জলবায়ুর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রজাতি বর্তমানে পাওয়া যায়।

3. যুক্তরাজ্যের জাতীয় ফল সংগ্রহশালায় প্রায় ২০০০ এরও বেশি প্রজাতির আপেলের প্রজাতির আপেল বীজ রয়েছে।

4. মরুভূমির আপেলের প্রজাতি বেশিরভাগই তাজা খাওয়ার জন্য চাষ করা হয়। সিডার জাতের আপেল গুলো তাজা খেতে খুব সুস্বাদু নয়, তাই সেইগুলি পানীয়তে ও সিডারে ব্যবহার করা হয়। যা অনেক গন্ধ সৃষ্টি করে ডেজার্ট আপেল সেটা পারে না।

আপেলের পুষ্টিগুন :


খোসাসহ প্রতি ১০০ গ্রাম আপেলে রয়েছে: 

জলীয় উপাদান: 83-86gm
ভিটামিন এ----- ৩ আইইউবিটা
ক্যারোটিন----- ২৭ আইইউ
লুটেইন----- ২৯ আইইউ
থায়ামিন----- ০.০১৭ মিলিগ্রাম
রিবোফ্লেভিন----- ০.০২৬ মিলিগ্রাম
নিয়াসিন----- ০.০৯১ মিলিগ্রাম
প্যানটোথেনিক অ্যাসিড----- ০.০৬১ মিলিগ্রাম
ফোলেট----- ৩ আইইউ
ভিটামিন সি----- ৪.৬ মিলিগ্রাম
ভিটামিন ই----- ০.১৮ মিলিগ্রাম
ভিটামিন কে----- ২.২ আইইউ
ক্যালসিয়াম----- ৬ মিলিগ্রাম
আয়রন----- ০.১২ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম----- ৫ মিলিগ্রাম
ম্যাংগানিজ----- ০.০৩৫ মিলিগ্রাম
ফসফরাস----- ১১ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম----- ১০৭ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম----- ১ মিলিগ্রাম
জিংক----- ০.০৪ মিলিগ্রাম
ফ্লোরাইড----- ৩.৩ আইইউ
খাদ্যশক্তি----- ৫২ কিলোক্যালরি
শর্করা----- ১৩.৮১ গ্রাম
চিনি----- ১০.৩৯ গ্রাম
খাদ্যআঁশ----- ২.৪ গ্রাম
চর্বি----- ০.১৭ গ্রাম
আমিষ----- ০.২৬ গ্রাম

আপেলের বীজের বিষাক্ততার তথ্য :

1. আপেলের বীজে খুবই অল্প পরিমাণে অ্যামিগডালিন, চিনি এবং সায়ানাইড থাকে যা সায়ানোজেনিক গ্লাইকোসাইড নামে পরিচিত।

2. অল্প পরিমাণে আপেলের বীজ খাওয়ার ফলে সাধারণত কোনো বিরূপ প্রভাব পরে না, অত্যন্ত বেশি পরিমাণে খেলে ( 200 - 300 টি আপেল বীজ বা 40- 50 টি আপেলের বীজ প্রজাতি ভেদে কমবেশি হতে পারে) বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। 

3. আপেলের সায়ানাইড বিষ কার্যকর হওয়ার আগে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে, কারণ সায়ানাইড আয়ন নিঃসরণের আগে সায়ানোজেনিক গ্লাইকোসাইড গুলি হাইড্রোলাইজড হতে সময় লাগে। তাই ভুল করে কেউ আপেল বীজ খাওয়ার পর চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত সময় আপনি পাবেন।

আপেল সম্বন্ধে আরও কিছু মজাদার এবং অবিশ্বাস্য তথ্য অবশ্যই পড়ুন

1. আপেল দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

টুথ পেস্টের মতো না হলেও আপেলে থাকা এসিড দাঁত পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল করতে সহযোগিতা করে এবং আপেলের খোসা অনেকটা টুথব্রাশ এর মত কাজ করে এবং দাঁতের ভিতরে ঢুকে অনেক পুরনো দাগ মুছে ফেলতে সাহায্য করে। 

2. আপনি কি জানেন আপেল আমেরিকার দ্বিতীয় প্রিয় ফল ।

আমেরিকানরা প্রতি বছর গড়ে 50 পাউন্ড এর উপর আপেল এবং আপেল জাতীয় জিনিস যেমন আপেল সস আপেল জুস ইত্যাদি কনজিউম করে তার মধ্যে প্রায় 19 পাউন্ড এর উপর গোটা আপেল।

3. আপেল আসলে আমেরিকার স্বাভাবিক ফল নয় আপেলকে ইউরোপ থেকে আনা হয়েছিল।
জন চ্যাপম্যান নামের একজন ব্যক্তি যিনি 17 দশকের শেষের দিকে এবং আঠারো শতকের গোড়ার দিকে অহিও ইন্ডিয়ানা ইলিনয় এবং বর্তমান পশ্চিম ভার্জিনিয়া জুড়ে বেশিরভাগ আপেল গাছের চাষ করেছিলেন এবং তিনি বিভিন্ন নার্সারি এবং নিজেও কিছু আপেল গাছের বাগান বানিয়ে ছিলেন।

4. আপনি কি জানেন, আপনি যে আপেল কিনেছেন তা এক বছরের পুরনো হতে পারে ?
তবে চিন্তা করবেন না এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ব্যবস্থা। কৃষকেরা controled atmosphere storage নামে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। একটি অ্যাপেল সংরক্ষণ করা এবং এমন তাপমাত্রা এবং বায়ুমণ্ডলের ব্যবহার করা হয় যাতে কৃষকেরা আপনাকে সব সময় তাজা আপেল আপনাকে উপহার দিতে পারে। 

5. আপেলের 25 শতাংশেরও বেশি বায়ু থাকে।

আপেলের 25 শতাংশেরও বেশি বায়ু থাকার কারণেই আপেল জলে ভাসে।
6. আপনি কি জানেন পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি আপেলের প্রজাতি আছে।
একা খালি আমেরিকাতেই আড়াই হাজারের উপর আপেলের প্রজাতির চাষ হয় কিন্তু সবথেকে বেশি প্রজাতির আপেলের চাষ হয় চীনে।
7. আপেল অন্যান্য ফল পাকাতে সাহায্য করে।
বিশ্বাস হচ্ছে না ঠিক আছে একটা ব্যাগে আপনি কোনও অন্য ফল যেমন অ্যাভোকাডো টমেটো বা অন্যকিছু এবং তার সাথে একটা আপেল রেখে দিন দেখবেন এটি খুব তাড়াতাড়ি পেকে যাবে কারণ আপেলের ইথানল গ্যাস এগুলিকে পাকাতে সাহায্য করবে।

উপসংহারঃ- আপেল সম্বন্ধে মজাদার এবং অবিশ্বাস্য তথ্য জেনে কেমন লাগলো comment এ অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না। ভালো লাগলে অবশ্যই shere করবেন।

Similar Products

Order on WhatsApp